Brazil Team

যে জায়গাটাকে বলা হয় কি ফুটবলের তীর্থভূমি সে জায়গাটাই কিনা আজ শূণ্যতার মরুভূমি। পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা শেষ বারে সোনার বিশ্বকাপে চুমু খেয়েছিল সর্বশেষ ২০০২ সালে। সবটাই যেন আজ অনেক অতীতের গল্প। ব্রাজিলে মনে করা হতো বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়াটাও তাদের জন্য ব্যর্থতা। যেন সেই ব্যর্থতায় ঘুরপাক খাচ্ছে ব্রাজিল। এবার সেই ব্যর্থতা কাটাতে উদ্যোগ নিলেন ব্রাজিলেরই আইনসভা।

ব্রাজিলীয়ান কিংবদন্তী পেলের একটি উক্তি আছে, “ব্রাজিল ফুটবলে খায়, ফুটবলে পান করে, ফুটবলে ঘুমায়”। আরেকটি মন্তব্য রয়েছে বাংলাদেশের ব্যরিস্টার সুমনের তিনি ব্রাজিল নিয়ে বলেছেন, এখানে সবাই আগে ফুটবলার থাকে পরে অন্য পেশায় যায়।

এই দেশটি কতইনা ফুটবল লেজেন্ডকে উপহার দিয়েছে আর বর্তমানে পুরো ইউরোপ শাসন করে যাচ্ছে ব্রাজিলীয়া ফুটবলাররা। এইতো সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন লীগ জেতা রিয়াল মাদ্রিদে ছিলো ৫ জন ব্রাজিলীয়ান। তবুও এতকিছুর মাঝ শূণ্যতা তাদের আছে। ২০ বছর ধরে বিশ্বকাপ নেই ব্রাজিলের ঘরে। ২০০২ বিশ্বকাপের পর বিশ্বকাপ জেতা দুরে থাক, ফাইনালও খেলতে পারেনি দলটি।

যেটি তাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বড় ব্যর্থতা। এবার তাই সর্বোচ্চ চেষ্টাই করতে চলেছে রোনালদো, রিভালদো ও কাফুর দেশটি। সেজন্য এবার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন দেশটে কংগ্রেস! সোজা কথায় পার্লামেন্ট থেকে। রাষ্ট্রীয় ভাবে। দুই দশক বিশ্বকাপ না জেতা তাদের দেশের সম্মানহানী মনে করে এবার কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দেশটি। জুন জুলাই এ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা থাকলেও কাতারের আবহাওয়া বিবেচনা করে নভেম্বরে হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ।

তাই বিরতি শেষে নিজ নিজ ক্লাবে ফিরছেন প্লেয়ার রা। তবে বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলে ফিরে খেলোয়াড়েরা প্রস্তুতি সারবেন। আর এইখানে পাখির চোখ ব্রাজিলের আইনসভার।  নেইমার জেসুস এলিসনরা কোথায় থাকছে, আর কেমন অনুশীলন বা প্রস্তুতি নিচ্ছে তার দেখা শোনার জন্য আলাদা কমিটি গঠন করছে ব্রাজিল আইনসভা।

 ব্রাজিল আইনসভার এক সদস্য তাদের আইনসভায় এক বৃবিতি পাঠ করে শোনান। ফুটবলের উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে দেশটির। আর বিশ্বকাপ খড়ায় জনসমর্থন কমেছে বলে মনে করেন এই আইনসভার সদস্য। তিনি বলেন মানুষ ফুটবল থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। তাই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সত্যি এমনটা হলে অবাক হওয়ার মত কিছু হবেনা কারণ দেশটি যে ব্রাজিল। ফুটবলের জন্য এরা সবি করতে পারে।